রহনপুরে হবে পূর্ণাঙ্গ রেলবন্দর, চালু হচ্ছে বাংলাদেশ-ভারত-নেপাল ত্রিদেশীয় ট্রানজিট

Chapai Chapai

Tribune

প্রকাশিত: ১২:১০ অপরাহ্ণ, আগস্ট ৩১, ২০২০

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ স্থানীয়দের দাবি ও বানিজ্যিক স্বার্থে ৪৪ বছর পর বাংলাদেশ, ভারত ও নেপালের মধ্যে ত্রিদেশীয় বাণিজ্যিক সম্ভবনার নতুন দ্বার খুলছে। ভারতের সিঙ্গাবাদ রেলপথ ব্যবহার করে চাঁপাইনবাবগঞ্জের রহনপুর স্টেশন দিয়ে নেপালের সাথে আমদানি-রপ্তানি শুরু হতে যাচ্ছে।

চাঁপাইনবাবগঞ্জের গোমস্তাপুর উপজেলার বাঙ্গাবাড়ীর সীমান্তবর্তী গ্রাম শিবরামপুরের মধ্য দিয়ে ভারতের সিঙ্গাবাদের পথে চলেছে রেল পথ। এই রেলপথ দিয়ে ভারতের সাথে পণ্য আমদানি-রপ্তানি করে আসছে বাংলাদেশ।

আর সিঙ্গাবাদ থেকে নেপালের বীরগঞ্জ রেল ষ্টেশনের দুরত্ব মাত্র ২১৭ কিলোমিটার। তাই এই পথ দিয়েই উন্মোচিত হতে যাচ্ছে বাংলাদেশ ভারত ও নেপাল ত্রিদেশীয় রেলওয়ে ট্রানজিটের নতুন দ্বার।

জেলার রহনপুর সীমান্ত দিয়ে রেলপথে নেপালের দূরত্ব কম হওয়ায় এই পথ দিয়ে পণ্য আমদানি-রপ্তানিতে আগ্রহ দেখিয়েছে দেশটি। ভারতও এই পথ ব্যবহারে সম্মতি দেয়ায় দীর্ঘদিন বন্ধ থাকার আবারো চালু হতে যাচ্ছে বাংলাদেশ- নেপাল বাণিজ্য।

ব্যবসায়ীরা জানান, ‘যে চুক্তি হয়েছে তাতে সহজেই পণ্য পরিবহন সম্ভব।তাতে সরকারের রাজস্ব আদায় হবে। রাজস্ব আয় দশ থেকে বিশগুণ বেড়ে যাবে।’

এদিকে ভারতের সাথে পণ্য আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম থাকলেও এই বন্দরে ইমিগ্রেশন ব্যবস্থা নেই।
স্থানীয় রাজনীতিবিদ ও জনগনের দাবি ত্রিদেশীয় বাণিজ্যের স্বার্থে এই পথে ইমিগ্রেশন চালুর ব্যবস্থা করা হোক।
রহনপুর রেলস্টেশন পূণার্ঙ্গ রেলবন্দর হলে এটি বাংলাদেশের অর্থনীতিতে বিরাট পরিবর্তন আসবে বলে মনে করা হচ্ছে।
জেলা আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি ও সাবেক সংসদ সদস্য জিয়াউর রহমান বলেন,’নেপাল,ভূটান, ভারতের সাথে বাংলাদেশের ব্যবসা যদি শুরু হয়, তাহলে সকল দেশই উপকৃত হবে।’

ইন্ডিয়া-বাংলাদেশ যৌথ চেম্বার অব কমার্স এ্যান্ড ইন্ড্রাস্ট্রিন যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আব্দুল ওয়াহেদ জানান,’এখানে অনেক লোকের কর্মসংস্থান হবে। যা অর্থনীতিতে একটি বিরাট প্রভাব ফেলবে। অবকাঠামোসহ এই এলাকা বন্দরে রুপান্তরিত করতে পারলে সুফল বয়ে আসবে।’

উল্লেখ্য রেল বন্দরটিতে গত ১৮-১৯ অর্থ বছরে ৪২ কোটি টাকা রাজস্ব লক্ষ্যমাত্রার বিপরীতে আদায় হয়েছে ২৩ কোটি টাকা।

পোস্টটি শেয়ার করুন