রাবি ছাত্রলীগের অহংকার ও সাহসী নেতৃত্বের নাম খালেদ হোসেন নয়ন

Chapai Chapai

Tribune

প্রকাশিত: ৫:০৬ অপরাহ্ণ, সেপ্টেম্বর ২৯, ২০২০

খালেদ হোসেন নয়ন
মতিহারের সবুজ চত্বর থেকে বেড়ে ওঠা এক অকুতোভয় দুঃসাহসী ছাত্রলীগের নেতৃত্বের নাম। যার হাত ধরে অসংখ্য সাহসী যোদ্ধার সৃষ্টি হয়েছে রাবি ছাত্রলীগে।
বলা যায় তিনি ছিলেন কর্মী তৈরির কারিগর।রাবি ছাত্রলীগের আজকের সুসময় নিয়ে আসার অন্যতম কারিগর তিনি। শিবির মুক্ত ক্যাম্পাস গড়তে তাঁর ভূমিকা অপরিসীম।

শুধু বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থী নয় রাজশাহীর স্থানীয় যারা অন্য প্রতিষ্ঠানে পড়ালেখা করতো তারাও ছুটে আসতো নয়ন ভাই এর কাছে।
২০০৮ সালে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির পর আমার বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজনীতির হাতে খড়িটা তার হাত দিয়েই।
এই সময়ের রাবি ছাত্রলীগ আর ২০০৭-১০ এর রাবি ছাত্রলীগ আকাশ পাতাল পার্থক্য ছিলো।

খালেদ হোসেন নয়ন ভাই ২০০৭ সালে রাবিতে ভর্তি হয়েই ছাত্রলীগের রাজনীতির সাথে যুক্ত হন। ১/১১ তত্ত্বাবধায়ক সরকারের বিরুদ্ধে রাজপথে ছিলেন তখন তিনি সবেমাত্র প্রথম বর্ষের ছাত্র ।

সাতক্ষীরা সিটি কলেজ থেকেই ছাত্রলীগ করে আসা আওয়ামী পরিবারের সন্তান নয়ন ভাই বিশ্ববিদ্যালয়ে এসেই ছাত্রলীগের রাজনীতিতে যুক্ত হন। তখন সিনিয়রদের কাছে নয়ন ভাই ছিলো সাহসী একটি নাম। জামাত শিবিরের বিরুদ্ধে কিভাবে লড়াই করতে হয় সেটা নয়ন ভাই এর কাছ থেকেই শিখেছি। জামাত-শিবির-ছাত্রদলের কাছে আতঙ্কের নাম ছিলো নয়ন ভাই ।

২০০৯-১০ সালের দিকেও ছাত্রলীগ সাবলীলভাবে হলে থাকতে পারতো না। বলা যায় শিবিরের দখলে ছিলো হলগুলো। তখন প্রতিনিয়ত মুখোমুখি সংঘর্ষ হওয়ার পরিস্থিতি ছিলো। ২০০৯ সালে শিবিরের সাথে ছাত্রলীগের মুখোমুখি সংঘর্ষে নয়ন ভাই এর সাহসী ভূমিকা সবাই নিজ চোখে দেখেছি । সেই সংঘর্ষে শিবিরের সেক্রেটারি নোমানী মারা যায়।

২০১০ সালের আগষ্টে অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার জেরে জয় ভাই -অপু ভাই কমিটি ভেঙে যায়।
রাবি ছাত্রলীগের কমিটিবিহীন ঐ সময়ে যে ৩-৪ সিনিয়র নেতা আমাদের সংগঠিত করে রেখেছিলেন তাদের মধ্যে নয়ন ভাই অন্যতম। প্রায় ১ বছর নয়ন ভাই কে কেন্দ্র করে ক্যাম্পাসের প্রায় ১৫০-২০০ ছাত্রলীগ সবসময় সক্রিয় থেকে ছাত্রশিবির -ছাত্রদল কে ক্যাম্পাস থেকে বিতাড়িত করেছি।
ঐ সময়টায় ক্যাম্পাসে শিবির ছাত্রদল সবচেয়ে বেশি আতঙ্কে থাকতো।

সাহসী জনপ্রিয় নেতৃত্ব ও যোগ্যতার কারণে তাকে বিভিন্ন সময় রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার হতে হয়েছে।তবুও তিনি সব জয় করে সামনে এগিয়ে চলেছেন।
শিবির-ছাত্রদল কতৃক একাধিক মামলায় তাঁকে জড়ানো হয়েছে।
বিভিন্ন সময় শিবির ছাত্রদলের হামলার পরিকল্পনায় ছিলেন তিনি।

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন,পরে রাবি ছাত্রলীগের সভাপতি প্রার্থী হিসেবে সর্বোচ্চ আলোচনায় ছিলেন।

এরপর তাঁর স্বীকৃতি স্বরুপ ২০১৩ সালে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ (সোহাগ -নাজমুল ভাই) কমিটির সহ-সম্পাদক হন।
পরে সোহাগ ভাই -জাকির ভাই কমিটিতে বঞ্চিত হলেও বর্তমান জয় – লেখক কমিটিতে সহ-সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

সাতক্ষীরার এই কৃতি সন্তান, রাবি ছাত্রলীগের অহংকার খালেদ হোসেন নয়ন ভাই এর আজ জন্মদিন ।
এই দিনে তাঁর জন্য রইলো অশেষ ভালোবাসা ও শুভেচ্ছা ।

লেখকঃ
মুঃ আতিকুর রহমান সুমন
সাবেক সদস্য, বাংলাদেশ ছাত্রলীগ কেন্দ্রীয় নির্বাহী সংসদ।

সাবেক সহ-সভাপতি ও উপ-দপ্তর সম্পাদক
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগ।

পোস্টটি শেয়ার করুন